বদনজরের লক্ষণ ও চিকিৎসা
চলুন শুরুতেই জেনে নিই কুরআন সুন্নাহর আলাকে বদ নজর বা Evil Eye কি? এ বিষযে কুরআন সুন্নাহ কি বলে?
আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ
وَإِنْ يَكَادُ الَّذِينَ كَفَرُوا لَيُزْلِقُونَكَ بِأَبْصَارِهِمْ لَمَّا سَمِعُوا الذِّكْرَ وَيَقُولُونَ إِنَّهُ لَمَجْنُونٌ
অর্থঃ কাফিররা যখন উপদেশ বাণী (কুরআন) শ্রবণ করে তখন তারা যেন তাদের তীক্ষ্ম দৃষ্টি দ্বারা তোমাকে আছড়িয়ে ফেলতে চায় এবং বলেঃ সে তো এক পাগল। (সূরা কলামঃ ৫১)
হাফেজ ইবনে কাসীর (রাহেমাহুল্লাহ) ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) এবং মুজাহিদ থেকে বর্ণনা করেন যে, (لَيُزْلِقُونَكَ) “তোমার প্রতি বদনজর দিবে।” অর্থাৎ তারা তোমাকে হিংসার প্রতিফলন ঘটিয়ে রুগী বানিয়ে দিবে যদি আল্লাহর তোমার প্রতি হেফাযত না থাকে। আয়াতটি প্রমাণ বহন করে যে, বদনজরের কুপ্রভাবের বাস্তবতা রয়েছে, আল্লাহর হুকুমে। যেমন এ ব্যাপারে হাদীসও রয়েছে। (তাফসীর ইবনে কাসীরঃ ৪/৪১০) হাদীসসমূহ থেকে প্রমাণঃ
১। আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এরশাদ করেনঃ
عن ابى هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم العين حق
বদ নজর সত্য। (বুখারীঃ ১০/২১৩) অর্থাৎ এর বাস্তবতা রয়েছে, এর কুপ্রভাব লেগে থাকে।
২। আয়েশা সিদ্দীকা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বর্ণনা করেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ
استعيذوا بالله من العين فإن العين حق
তোমরা বদ নজরের ক্রিয়া (খারাপ প্রভাব) থেকে রক্ষার জন্যে আল্লাহ তায়ালার সাহায্য প্রার্থনা কর। কেননা তা সত্য। (ইবনে মাযাহঃ ৩৫০৮)
৩। ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ
العين حق ولو كان شيء سابق القدر لسبقته العين ، وإذا استغسلتم فاغسلوا
বদ নজর (এর খারাপ প্রভাব) সত্য এমনকি যদি কোন বস্তু ত্বাকদীরকে অতিক্রম করত তবে বদ নজর তা অতিক্রম করত। সুতরাং তোমাদেরকে যখন (এর প্রভাবমুক্ত হওয়ার জন্যে) গোসল করতে বলা হয় তখন তোমরা গোসল কর । (মুসলিমঃ ১৪/১৭১)
৪। আসমা বিনতে উসাইম (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী করীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আবেদন করনে যে, জাফরের সন্তানদের নজর লাগে আমি কি তাদের জন্যে ঝাড়ফুঁক করব? উত্তর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ
نعم فلو كان شئ سابق القضاء لسبقته العين
অর্থঃ হ্যাঁ! কোন বস্তু যদি তাকদীরকে অতিক্রম করত তবে বদ নজর তা অতিক্রম করত। (তিরমিযীঃ ২০৫৯, আহমদঃ ৬/৪৩৮) ৫।
আবু যর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বর্ণনা করেন যে, নবী করীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ
ان العين لتولع بالرجل بإذن الله حتى يصعد حالقا فيتردى منه
ইমাম আহমদ ও আবু ইয়ালা বর্ণনা করেছেন । এই হাদীসের সারমর্ম হল, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, কোন ব্যক্তির যখন নজর লাগে তখন এত বেশি প্রভাবিত হয় যে, সে যেন কোন উচু স্থানে চড়ল অতঃপর কোন নজর দ্বারা হঠাৎ করে নীচে পড়ে গেল। (শায়খ আলবানী সহীহ বলেছেনঃ ৮৮৯)
৬। ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ
العين حق تستنزل الحالق
অর্থঃ বদ নজর ত্যি তা যেন মানুষকে উপর থেকে নীচে ফেলে দেয়। (ইমাম আহমদ ও তা রানী আলবানী হাসান বলেছেনঃ ১২৫০)
৭। জাবের (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ
العين تدخل الرجل القبر وتدخل الجمل القدر
অর্থঃ বদ নজর মানুষকে কবর পর্যন্ত পৌছে দেয় এবং উটকে পাতিলে । (সহীহ আল জামেঃ শাইখ আলবানী (রহঃ) সহীহ বলেছেনঃ ১২৪৯)
অর্থাৎ মানুষের নজর লাগায় সে মৃত্যুবরণ করে, যার ফলে তাকে কবরে দাফন করা হয়। আর উটকে যখন বদ নজর লাগে তখন তা মৃত্যু পর্যায়ে পৌছে যায় তখন সেটা যবাই করে পাতিলে পাকানো হয় ।
৮ । জাবের (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ
أكثر من يموت من أمتي بعد قضاء الله وقدره بالعين
অর্থঃ আমার উম্মতের মধ্যে তাকদীরের মৃত্যুর পর সর্বাধিক মৃত্যু বদ নজর লাগার দ্বারা হবে। (মুসনাদে বাযযার)
৯ । আয়েশা সিদীকা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে বদ নজর থেকে বাচার জন্যে ঝাড়-ফুক করার নির্দেশ দিতেন। (বুখারীঃ ১০/১৭০, মুসলিমঃ ২১৯৫)
১০ । আনাস বিন মালেক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নজর থেকে হেফাযত ও বিষাক্ত প্রাণীর দংশন ও ক্ষত বিশিষ্ট রোগ থেকে রক্ষার জন্যে ঝাড়-ফুকের অনুমতি প্রদান করেছেন। (মুসলিমঃ ২১৯৬)
১১। উম্মে সালমা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার ঘরে এক মেয়ে শিশুর চেহারায় দাগ দেখে তিনি বলেছেন যে, তার চেহারায় বদ নজরের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। তাকে ঝাড়-ফুক করাও। (বুখারীঃ ১/১৭১, মুসলিমঃ ৯৭)
বদ নজর সম্পর্কে মনীষীদের মতামত
ইবনে কাসীর (রহঃ) বলেনঃ বদ নজরের প্রতিক্রিয়া হওয়া সত্য যা আল্লাহর নির্দেশেই হয়ে থাকে। (তাফসীর ইবনে কাসীরঃ ৪/৪১০)
* হাফেজ ইবনে হাজার (রহঃ) বলেনঃ বদনজরের মূল বিষয় হল কোন উত্তম বস্তুকে কোন নিকৃষ্ট চরিত্রের ব্যক্তি হিংসার চোখে দেখে । যার ফলে সেই মানুষ অথবা যে কোন প্রাণী, যে কোন ধরণের বস্তুর ক্ষতিসাধিত হয় । (ফতহুল বারীঃ ১০/২০০)
* ইবনে আসীর (রহঃ) বলেনঃ বলা হয় (اصابت فلانا عين) অর্থাৎ অমুককে চোখ লেগেছে এটা তখন বলা হয়, যখন কারো প্রতি কোন শক্র অথবা হিংসুক দৃষ্টিপাত করে, আর এর ফলে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে।” (আন নিহায়াঃ ৩/৩২)
জ্বিনের বদ নজর মানুষকে লাগতে পারে
আবু সাঈদ খুদরী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জ্বিনের নজর থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করতেন এবং এরপর মানুষের বদ নজর থেকেও পানাহ চাইতেন; সুতরাং যখন সূরা ফালাক ও নাস অবতীর্ণ হল তখন অন্য দু'আ ছেড়ে দিয়ে এই সূরাদ্বয় দিয়ে প্রার্থনা করতেন। (ইমাম তিরমিয়ী চিকিৎসা বিষয়ক অধ্যায়ে বর্ণনা করেছেনঃ ২০৫৯, ইবনে মাযাহঃ ৩৫১১, আর আলবানী এটাকে সহীহ বলেছেন।)
২। উম্মুল মু'মিনীন উম্মে সালামা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) হতে বর্ণিত, নবী করীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার ঘরে একটি বালিকা দেখলেন, যার মুখমন্ডলে জ্বিনের বদনজরের কাল দাগ। তা দেখে তিনি বলেনঃ তাকে ঝাড়-ফুক কর কেননা তাকে জিনের বদনজর লেগেছে।” (বুখারীঃ ২০১০/১৭১ ও মুসলিমঃ ২১৯৭)
উপরোক্ত হাদীসদ্বয় হতে বুঝা যায়, মানুষ হতে যেমন বদনজর লাগে অনুরূপ জ্বিন হতেও লাগে। এজন্য প্রত্যেক মুসলমানের উচিত সে যখন পোশাক খুলবে, আয়না দেখবে বা সে যে কর্ম করবে তখন যেন দু'আযিকির পড়ে যাতে সে নিজের, মানুষের ও জিনের বদনজর বা অন্য কোন কষ্ট হতে নিরাপদ বা সংরক্ষিত থাকতে পারে।
বদনজর কখনও যোগাযোগে হয় আর কখনও সামনা সামনি হয় কখনও দৃষ্টিপাতে, আবার কখনও আত্মার দ্বারা ঘায়েল করে আর কখনও এর প্রভাব বদ দুআ ও তাবীজের মাধ্যমে হয়ে থাকে। আর কখনও ধ্যানের মাধ্যমে হয়।আর কখনও বা অনিচ্ছায় নদ নজর লেগে যায়।
যারা বদ নজরে আক্রান্ত ভাবছেন অথবা যারা যাচাই করতে চান আসলে কি বদনজরে আক্রান্ত কিনা প্রথমে নিচের লক্ষণ গুলোর সাথে মিলিয়ে দেখুন আপনার সাথে কোনটি মিলে:
আমাদের গাইডলাইনে ৩স্তরে ২১দিন কুরআনিক চিকিৎসার মাধ্যমে আল্লাহর ইচ্ছায় আপনি সুস্থ হয়ে উঠবেন
চিকিৎসার উপকরণ: বৃষ্টির পানি, বড়ই পাতা, জমজম কূপের পানি, বালটি বা গামলা বা জার
Holy Water (পবিত্র পানি প্রস্তুতকরণ) ১মে ওযু করে জায়নামাজে বসে ১ বালটি বা গামলা বা জার পানি নিবেন (বৃষ্টির পানি হলে বেস্ট হয়) যদি না পান নরমাল পানি হলে চলবে, সাথে জমজম এর পানি এবং বড়ই পাতা মিক্স করে নিম্নোক্ত আয়াত গুলো পড়ে ফুক দিন।
এই ভাবে নিয়ত করবেন: “ হে মহান আল্লাহ আমি আপনার দরবারে উপস্থিত হয়ে এই রোগের শিফার জন্য এই পানি গুলো তৈরী করছি। আপনিই একমাত্র শিফাদানকারী। আমার অতীতের সকল ভূলত্রুটি এবং সীমালঙ্গনগুলো ক্ষমা করুন। আপনিই একমাত্র ক্ষমাকারী। আমিন
এই পানি গুলো আপনি ১ সপ্তাহ গোসল এবং পান করার জন্য ব্যবহার করবেন।
(উক্ত পানি রোগী নিজে অথবা অন্য কেউ প্রস্তুত করেতে পারবেন।
১ম স্তর ৭দিন: (এই ৭দিন আপনার সমস্যা চিহিৃত হবে এবং রুকইয়া/চিকিৎসা শুরু করলে অনেক সময় সমস্যা বাড়তে পারে, এরপরও আপনি চালিয়ে যাবেন।
(কারো নজর লাগছে এটা বুঝতে পারার সাথে সাথে নিচের গোসল এবং লিংকে দেওয়া দোয়া শুনলে সাথে সাথে আল্লাহর ইচ্ছায় নজর কেটে যাবে, কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে হচ্ছে কিন্তু বুঝতে পারেন নাই এক্ষেত্রে ৭ সপ্তাহ বা ২১ দিন সময় লাগতে পারে সুস্থ হতে)
-উপরে প্রস্তুতকৃত পানি দিয়ে ৭ দিন গোসল করবেন (গোসলের পানি মাথায় দেওয়ার সময় মনে মনে নিয়ত করবেন আল্লাহ যেন আপনাকে/যার জন্য নিয়ত করছেন তাকে রোগ থেকে সিফা দেয় এবং বিসমিল্লাহ বিসমিল্লাহ বলে বলে পানি গুলো মাথায় ঢালবেন)।
-প্রস্তুতকৃত পানি গুলো অন্য পানির সাথে মিক্স করে ৭দিন রেগুলার পান করবেন।
-দিনে কমপক্ষে ২বার নিচের অডিওটি শুনবেন।
অনেক সময় জাদু বা জীনের মাধ্যমেও নজর লাগতে পারে এক্ষেত্রে জাদু নষ্টের নিয়তে মাগরিবের নামাজের পরে জায়নামাজে বসে আরাফ ১১৭-১২২ নং আয়াত কুরআন থেকে দেখে দেখে ৩বার পড়বেন অথবা মোবাইল থেকে শুনবেন। পড়ার সময় আপনি ফিল করেবেন মহান সৃষ্টিকর্তা আপনার বা যার নিয়তে পড়ছেন উনার সমস্ত নজর বা জাদু দৃশ্য-অদৃশ্য, শরীরের ভিতরে বা বাইরে সব নষ্ঠ হয়ে যাচ্ছে।
আরো
স্টংলি নষ্ট করতে চাইলে উপরে দুয়া পড়ে যে পানি তৈরি করছেন একটি ছোট পাত্রে
পানি নিয়ে আপনার হাত দিয়ে পানি গুলো পাত্রে ছিটাবেন পাশাপাশি সূরা আরাফ ১১৭-১২২ নং আয়াত তেলোয়াত করবেন। মনে মনে ফিল করবেন ওই পানি গুলো জাদুর জিনিসে
পড়ছে এবং মহান আল্লাহ আপনার জাদু গুলো নষ্ঠ করে দিচ্ছে।
২য় স্তর পরের ৭দিন: (এই ৭দিন আপনি আল্লাহর ইচ্ছায় আপনি আসতে আসতে সুস্থ হয়ে উঠবেন)
১ম ৭দিন আপনার কেমন লাগছে বিস্তারিত লিখে নিচের গ্রুপে পোস্ট করুন।
https://www.facebook.com/groups/2036579666510502
আপনার পোস্টের ভিত্তিতে পরবর্তী করণীয় কি বা কি করতে হবে আমরা বলে দিব।
৩য় স্তর এর পরের ৭দিন: (এই ৭দিন আপনি আল্লাহর ইচ্ছায় প্রোটেকশনে চলে আসবেন)
২য় স্তরের ফিডব্যাকের ভিত্তিতে ৩য় স্তরে কি করতে হবে আমরা বলে দিব।
অবশ্যয় পালনীয়:
১. সময়মতো ফরজ নামাজ আদায় করতে হবে।
২. তাহাজ্জুদ ও রোজা রাখার চেষ্ঠা করবেন।
৩। যতটুকু সম্ভব সদকা করবেন।
৪। হারাম এবং পাপ কাজ থেকে বিরত থাকবেন।
আল্লাহ আমাদেরকে মানুষ এবং জ্বিন শয়তানের হিংসা বিদ্বেষ থেকে হিফাজতে রাখুক। সব ধরনের শারীরিক, মানসিক, জাদু, টোনা, বান এবং আত্মিক রোগ-ব্যাধি থেকে আরোগ্য দান করুক। আমিন
পবিত্র কুরআন সুন্নাহ দ্বারাও এবিষয়গুলোর সত্যতা রয়েছে। কিন্তু এ সংক্রান্ত সমস্যাগুলো সমাধান করতে গিয়ে উল্টো আরো সমস্যায় পতিত হতে হয়। কারণ জাদুকর, বদ্য, গণক ইত্যাদি শয়তান জীনের মাধ্যমে এই কাজ গুলো করতে গিয়ে বিভিন্ন শির্ক করে থাকে এবং ভুক্তভোগী রোগীদের দিয়েও প্রত্যক্ষ প্ররোক্ষ ভাবে বিভিন্ন ধরনের শির্ক করিয়ে থাকে। এতে ঈমান ও আমল ধ্বংস হয় এবং শির্ক করার কারণে দুনিয়া এবং আখিরাতে লাঞ্চিত হতে হয়।
তাই মহান আল্লাহ’র একমাত্র সন্তুষ্টির জন্য মানুষদেরকে এই বিষয়ে কুরআন সুন্নাহর আলোকে পরামর্শ দিয়ে চিকিৎসা সেবা প্রদান করাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য।
মহান আল্লাহ আমাদের এই সৎ চেষ্ঠাকে কবুল করুক এবং শির্ক এবং শয়তানি সমস্ত কাজ থেকে দূরে রাখুক এবং যারা অসুস্থ তাদেরক আপনার পবিত্র কালামুল্লাহ উছিলায় সুস্থতা দান করুন। আমিনরিভিউ পাওয়া যায়নি